এবার জনপ্রতি ফিতরা সর্বনিম্ন ১১০ টাকা, সর্বোচ্চ ২,৮০৫ টাকা
- পোষ্ট টাইম : 2026-02-25 09:50:03
- আপডেট টাইম : 2026-02-27 09:14:50
- 15346 বার পঠিত
রমজান ১৪৪৭ হিজরি (২০২৬ ইং ) উপলক্ষে দেশের জন্য ফিতরার হার নির্ধারণ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। জাতীয় সাদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্তে জানানো হয়েছে, এ বছরও প্রায় গত বছরের মতোই ফিতরার হার রাখা হয়েছে।
🔹 সর্বনিম্ন ফিতরা: ১১০ টাকা
🔹 সর্বোচ্চ ফিতরা: ২,৮০৫ টাকা
এই অর্থ প্রতি ব্যক্তির জন্য প্রদান করতে হবে, এবং গত বছরও একই হার ছিল। গত বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালক্ষণে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ এর সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় সাদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটির সভায় ফিতরার হার চূড়ান্ত করা হয়। সভায় কমিটির সভাপতি ও খতিব মুফতি মাওলানা আবদুল মালেক সভাপতিত্ব করেন। কমিটির সদস্য ও বিশিষ্ট ইসলামি আলেমরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি সাংবাদিকদের জানান ফিতরার নির্ধারিত হার, এবং এর প্রেক্ষাপট সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করেন।
কমিটি জানিয়েছে, দেশের সব বিভাগের বাজার থেকে রমজান মাসের খাদ্যদ্রব্যগুলোর দাম সংগ্রহ করে এই হার নির্ধারণ করা হয়েছে।
ফিতরা কীভাবে বা কোন পণ্যের মাধ্যমে দিতে হবে?
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী ফিতরা শুধু টাকা দিয়েই নয়, বরং কেন্দ্রীয়ভাবে নির্ধারিত খাদ্যদ্রব্য দিয়েও দেওয়া যায় বা ঐ দ্রব্যগুলোর বাজারদরের সমমান টাকায় প্রদান করা যায়। কমিটি বিশেষভাবে উল্লেখ করেছে যে, নিম্নোক্ত খাদ্যদ্রব্যগুলির যেকোনো একটি দিয়েও ফিতরা দেওয়া যায়:
✔ গম/আটা
✔ যব
✔ খেজুর
✔ কিসমিস
✔ পনির
✔ অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য
এগুলোকে বাজারদরের সমমান টাকায় দেওয়া হলে তা শরীয়াহ অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য হবে।
ফিতরা দেওয়ার সময় এবং দান প্রক্রিয়া
বিশেষজ্ঞরা ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নির্দেশ অনুযায়ী:
📌 রতুল ফিতরা রোজা রাখার শেষ দিন পর্যন্ত যথাযথভাবে দেওয়া উচিত।
📌 রোজার ধারাবাহিক চলাকালীন সময়েও ফিতরা দেওয়া যায়, তবে ঈদুল-ফিতরের নামাজের আগেই দান করা হলে তা সবচেয়ে সঠিক এবং ওয়াজিব হিসেবে গণ্য হয়।
এ সময়ের পর ফিতরা দিলে তা সাধারণ দান হিসেবে গণ্য হবে, কিন্তু रোজা শুদ্ধি ও ঈদ-উদযাপনের উদ্দেশ্য সিদ্ধ হবে না বলেও ব্যাখ্যা করেন ইসলামি পন্ডিতরা।
ফিতরা কোথায় বা কাদের কাছে প্রদান করবেন?
ফিতরা মূলত দরিদ্র, অসচ্ছল ও অভাবগ্রস্তদের মধ্যেই বিতরণ করতে হয় — যেন ঈদের আনন্দ সবার জন্য উপলভ্য হয়। এটি সামাজিক সহানুভূতি, দান-দানশীলতা এবং ইবাদতের অংশ হিসেবে ইসলামি বিধি অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ। ধর্মবিশেষজ্ঞদের মতে, ফিতরা মিলনায়তন, স্থানীয় মসজিদ, এনজিও বা সমাজসেবা প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তিগতভাবে পরিচিত দরিদ্রদের কাছেও দেওয়া যেতে পারে, তবে শেষ সময়ের আগে তা অবশ্যই সম্পন্ন করা উচিত।
| ফজর | শুরু- ৫.১২ টা ভোর |
| যোহর | শুরু- ১২.১২ টা দুপুর |
| আছর | শুরু- ৩.৩০ টা বিকাল |
| মাগরিব | শুরু- ৫.৫৭ টা সন্ধ্যা |
| এশা | শুরু- ৭.১৩ মিনিট রাত |
| Jummah | - দুপুর |