জ্বালানি সংকট রুখতে কঠোর সরকার: দেশজুড়ে ২৯৩টি ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, বিপুল জরিমানা
- পোষ্ট টাইম : 2026-03-28 07:24:38
- আপডেট টাইম :
- 7995 বার পঠিত
সারাদেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং অসাধু চক্রের কৃত্রিম সংকট তৈরির অপচেষ্টা রুখতে কঠোর অবস্থানে নেমেছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে দেশের ৬২টি জেলায় একদিনে মোট ২৯৩টি ভ্রাম্যমাণ আদালত ও তদারকি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে অবৈধ মজুতদারি এবং নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে তেল বিক্রির অপরাধে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনকে মোটা অংকের জরিমানা করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাত পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় মাঠ প্রশাসনের সহযোগিতায় এই বিশাল কর্মযজ্ঞ পরিচালিত হয়।
মোট অভিযান: ২৯৩টি,
জেলায় সংখ্যা: ৬২টি জেলা
মামলা দায়ের: ৭৮টি মামলা
মোট জরিমানা: ৩ লাখ ১৫ হাজার ৫৫০ টাকা
সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতা দেখা দেওয়ায় দেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এই সুযোগে কিছু অসাধু ফিলিং স্টেশন মালিক ও ব্যবসায়ী 'তেল নেই' বলে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছেন বলে সরকারের কাছে গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে। বিশেষ করে ঈদ পরবর্তী সময়ে তেলের চাহিদা বেশি থাকায় তারা মজুতদারি ও অতিরিক্ত দাম আদায়ের কৌশল বেছে নিয়েছেন।
অভিযান চলাকালে অনেক ফিলিং স্টেশনে দেখা গেছে, আন্ডারগ্রাউন্ড ট্যাংকে পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও তারা সাধারণ গ্রাহক ও পরিবহন চালকদের কাছে তেল বিক্রি করছে না। আবার কোথাও কোথাও নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ৫-১০ টাকা বেশি রাখা হচ্ছে। অনেক স্থানে ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগও প্রমাণিত হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেটরা তাৎক্ষণিকভাবে এসব স্টেশনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছেন এবং তেল বিক্রি চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ ও নিরবচ্ছিন্ন রাখতে জেলা পর্যায়ে নিয়মিত নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। মাঠ প্রশাসনের সহায়তায় পরিচালিত এসব অভিযানে পেট্রোল পাম্প, ডিপো এবং খুচরা বিক্রয় পর্যায়ে অনিয়ম প্রতিরোধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া রাজধানী ঢাকায় জ্বালানি বিভাগের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ প্রতিদিন নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছেন।
সরকার জানিয়েছে, দেশে জ্বালানি তেলের কোনো ঘাটতি নেই। কেউ যদি কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বা অবৈধভাবে মজুত করে, তবে তাদের তথ্য দ্রুত স্থানীয় প্রশাসন বা ভিজিল্যান্স টিমকে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। আগামী দিনগুলোতেও এই তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
| ফজর | শুরু- ৫.১২ টা ভোর |
| যোহর | শুরু- ১২.১২ টা দুপুর |
| আছর | শুরু- ৩.৩০ টা বিকাল |
| মাগরিব | শুরু- ৫.৫৭ টা সন্ধ্যা |
| এশা | শুরু- ৭.১৩ মিনিট রাত |
| Jummah | - দুপুর |